শিলিগুড়ির জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন যোগান রয়েছে বলে আশস্ত করছেন অক্সিজেনে সরবরাহকারি গ্যাস এজেন্সিগুলি
দি নিউজ লায়ন; এক সপ্তাহের ব্যবধানে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে দ্বিগুন। হোম আইসোলেশনে রুগীদের ক্ষেত্রে বাড়ছে অক্সিজেন চাহিদা। সাতদিনে অক্সিজেন চাহিদার পরিমান বেড়ে ২৫০০কিউবি মিটার থেকে ৪০০০ কিউবিমিটারে পৌঁছেছে। তবে এখন অবধি শিলিগুড়ি শহরের জন্য যোগান পর্যাপ্ত রয়েছে আশস্ত করছেন অক্সিজেনে সরবরাহকারি গ্যাস এজেন্সিগুলি।
এক ধাক্কায় চাহিদা বৃদ্ধির বড় সিলিন্ডারের পরিবর্তে হ্যান্ড সিলিন্ডারের মজুদ রাখতে হচ্ছে গ্যাস এজেন্সিগুলিকে। শিলিগুড়ি তিনটি বটলিফ গ্যাস কারখানা উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলার অক্সিজেনের যোগানের উৎস। সেখান থেকেই সরবরাহ করা হয় গ্যাস সিলিন্ডার। শহরের ক্ষেত্রে গ্যাস এজেন্সিগুলি গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে সরকারি বেসরকারি হাসপাতালগুলি মূলত যোগান দিয়ে থাকেন। করোনা ভয়াবহ দুর্যোগকালে শিলিগুড়ি শহরের অক্সিজেন স্তিতি এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত রয়েছে বলেই আশার আলো দেখাচ্ছেন গ্যাস এজেন্সিগুলি।
সকাল সন্ধ্যা এই গ্যাস এজেন্সি গুলির কাছেই নিজের প্রাণ রক্ষার আকুতির ফোন আসছে রুগী পরিবারের। প্রিয়া গ্যাস এজেন্সির কর্ণধার জানান সকাল সন্ধ্যা ফোন আসছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলি বড় সিলিন্ডার মজুদ রাখছেন ঠিকই কিন্তু অধিক আর্জি আসছে হ্যান্ড সিলিন্ডারের। হোম আইসোলেশনে থাকা রুগীরা এ ধরনের সিলিন্ডার চাইছেন। আবার অনেকে প্রয়োজন না হলেও যেকোনো সময় রুগীর অবস্থা বেগতিক হতে পারে ভেবে মজুদ রাখছেন অক্সিজেন সিলিন্ডার।
একই কথা বলছেন শিলিগুড়ি সেবক রোডের অন্য একটি গ্যাস এজেন্সি বৈধ ডিস্ট্রিবিউটার তারা জানাচ্ছেন বড় অক্সিজেন সিলিন্ডার তুলনায় ছোট সিলিন্ডারগুলিকে প্রস্তুত রাখতে হচ্ছে আমাদের। এক সপ্তাহের মধ্যেই দৈনিক অক্সিজেন চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। রুগী পরিবারের সকাল থেকে ফোন করে আবার সশরীরেও হাজির হয়ে যাচ্ছেন। তবে ঘাটতির পরিস্থিতি এখনও শহরে তৈরি হয়নি।
সরকারি বেসরকারি হাসপাতালগুলি তাদের চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন পেয়ে যাচ্ছেন। তবে দেশ ও রাজ্য জুড়ে যে পরিস্থিতি তাতে কতদিন যে হারে চাহিদা বাড়ছে তার যোগান সম্ভব হবে দুশ্চিন্তা ব্যক্ত করছে প্রাণসঙ্কটে ত্রাতার ভূমিকায় থাকা গ্যাস এজেন্সিগুলি। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর জানাচ্ছে অক্সিজেনের ঘাটতির পরিস্থিতি যাতে না হয় সেক্ষেত্রে তরল অক্সিজেনের যোগানে জোড় দেওয়া হচ্ছে।

Post a Comment